স্থানীয়রা জানান, মতলব ধনাগোদা নদীর ওপর ওপর নির্মিত মতলব সেতুচালু হওয়ার আগে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ফেরি দিয়ে চলাচল করতো। ফলে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থান দেবে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি সড়কের পিচ, সুরকি, ইট উঠে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলেই ওইসব গর্তে পানি আটকে থাকে। এতে যানবাহন দুর্ঘটনায় কবলিত হয়। বিশেষ করে মতলব স্কুল ও কলেজের হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন যাতায়াত করে। এ রাস্তা দিয়ে তাদের চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আমেনা আক্তার বলেন, ‘রাস্তার বেহাল দশায় চলাচল করতে খুবই অসুবিধা হয়।’
রয়মনেননেছা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সেলিম মিয়া বলেন, ‘রাস্তায় গর্ত থাকায় মোটরসাইকেল চালাতে হিমশিম খেতে হয়। জরুরি ভিত্তিতে রাস্তার সংস্কার করা প্রয়োজন।’
মতলব মুক্তি কমপ্লেক্স ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল লতিফ মিয়াজী বলেন, ‘মতলব পৌরসভার রাস্তাগুলো গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে এ রাস্তা দিয়ে। তবে রাস্তার করুণ দশায় যানচলাচলে বিঘ্ন ঘটে।’
অটো রিকশাচালক আনোয়ার হোসেন জানান, রাস্তায় গর্তের কারণে ঠিকমতো গাড়ি চালাতে পারেন না।
সিএনজিচালক আবু ইউসুফ জানান, রাস্তায় ছোট-বড় গর্তের জন্য যাত্রীরা আরামে গাড়িতে বসতে পারে না। তারপরও ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাতে হয়।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী শাহআলম জানান, পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তা সংস্কার কাজ পৌরসভার কর্তৃপক্ষ করবে।
মতলব পৌরসভার মেয়র আওলাদ হোসেন লিটন জানান, জরাজীর্ণ রাস্তাগুলোর টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগিরই ঠিকাদার সংস্কার কাজ শুরু করবেন।