যৌন নিপীড়নের শিকার ছাত্রের পরিবারের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে মঙ্গলবার ওই শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। কোরাইশমুন্সি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস.আই সাইফুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করা হলে দাগনভূঞা আমলি আদালতের বিচারক এস.এম এমরান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
নিপীড়নের শিকার ছাত্রের বাবা জানিয়েছেন তার ছেলে ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র। থানায় দায়ের করা মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, গত রবিবার রাতে মাদ্রাসার নুরানী বিভাগের শিক্ষক শহিদুর রহমানের যৌন নিপীড়নের শিকার হয় তার ছেলে। পরদিন বিষয়টি জানাজানি হলে ওই দিন রাতেই তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহাম্মদ পাঠান জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত রিমান্ড শুনানি না করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।