শনিবারের (৬ জুলাই) এ মানববন্ধনে সুবর্ণচর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, তরুণ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তব্য রাখেন- মো. রফিক উল্যাহ্, নুর হোসেন বাবু, নিজাম উদ্দিন, মহিম উদ্দিন ও তানভীর মাহমুদ প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, নাসিম ফারুকীর নিজ বাড়ি হাতিয়া উপজেলার ৩ নম্বর সুখচর ইউনিয়নে। তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা কোটায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি নেন। ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে সুবর্ণচরে বদলি হয়ে আসেন। এখানে এসে তিনি বদলি বাণিজ্য শুরু করেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে বদলি বাণিজ্য করে যাচ্ছেন। তিনি ক্লাস না নিয়ে শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে অবস্থান করেন। তার এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা অভিযোগ করলে নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী তাকে এখান থেকে বদলির ডিও লেটার দেন। কিন্তু, তিনি এখনও বহাল রয়েছেন। তিনি টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে হাতিয়া উপজেলার লোকজনকে সুবর্ণচর উপজেলায় বদলি করে আনেন। এতে সুবর্ণচরের কোটা কমে যায়। বদলি বাণিজ্য ও নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান তারা।
অভিযোগের বিষয়ে নাসিম ফারুকী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শিক্ষকদের সাংগঠনিক দ্বন্দ্বের কারণে একটি মহল সুনাম ও সামাজিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করার জন্য আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে।’