সরকারি উদ্যোগে গরু কেনা হয়নি উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ব্যক্তি ও এনজিও’র মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জন্য যেসব গরু পেয়েছি, সেগুলো যে শিবিরে যতটা দরকার ততটা পাঠানো হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর পশু সংখ্যা প্রায় এক হাজারের মতো বেড়েছে। পশুগুলো জবাইয়ের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং ক্যাম্প ইনচার্জদের তত্ত্বাবধানে মাংস বণ্টন করা হবে।’
রোহিঙ্গাদের প্রায় সবাই মুসলিম। প্রায় সব শিবিরেই গরু পাঠানো হয়েছে। যেসব শরণার্থী শিবিরে পশু না দেওয়ায় রোহিঙ্গারা নিজেরাই ভাগাভাগি করে গরু কিনেছেন।
রবিবার সকালে টেকনাফের জাদিমুড়া ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে গরু-ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। সেখানে আরআরসি কমিশনার প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করছিলেন এ ক্যাম্পের ইনচার্জ মোহাম্মদ ফরিদুল জামান।
জাদিমুড়া রোহিঙ্গা শিবিরের নেতা মোহাম্মদ একরাম বলেন, ‘সরকারের উদ্যোগে ৩০ পরিবার মিলে একটি কোরবানি পশু পেয়েছি। ঈদের দিন এটি জবাই করে মাংস ভাগ করে নেবো। গত এক বছরে এক টুকরো মাংসও খেতে পারিনি। এবার হয়তো কোরবানির গরুর মাংস খাওয়া হবে।’
কর্মকর্তারা জানান, রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের পুরনো রোহিঙ্গাদের বাইরে থেকে গরু দেওয়া হচ্ছে না। কারণ স্বচ্ছল হওয়ায় এদের অনেকেই নিজ উদ্যোগে পশু কিনে কোরবানি দিচ্ছেন।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিউল হাসান বলেন, এনজিওদের কাছ থেকে পাওয়া পশু রোহিঙ্গাদের দেওয়া হয়েছে। তবে সবাই যেন কোরবানির মাংস পায় সে ব্যাপারে চেষ্টা করার নির্দেশনা দিয়েছেন।