চাঁদপুরের আহমাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান শনিবার (২ নভেম্বর) জেডিসি পরীক্ষার প্রথম দিন পরীক্ষার হলে যাওয়ার আগে কয়েকজন পরীক্ষার্থীর হাতে টাকা ফেরত দেন। তবে অন্যান্য মাদ্রাসায় আদায় করা বাড়তি টাকা ফেরত দেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান খান বলেন, ‘ডিসি ও এডিসির নির্দেশে ২০ জন পরীক্ষার্থীর টাকা ফিরিয়ে দিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে বৃস্পতিবার থেকে নানা কথা হচ্ছিল।’
কত টাকা করে ফেরত দিয়েছেন, জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান খান রেগে গিয়ে বলেন, ‘কাগজে লেখা আছে। দেখে বলতে হবে। আপনি মাদ্রাসায় আসেন।’
কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, প্রবেশপত্র বিতরণের নামে ৫০০ টাকা করে নেন অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান। এরপর শুক্রবার বিকালে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসায় ডেকে এনে ১০০ টাকা করে ফেরত দেওয়া হয়। শনিবারও কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা হলে প্রবেশের আগে ১শ টাকা করে দেন অধ্যক্ষ।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শওকত ওসমান বলেন, ‘আমরা অভিযোগ পাওয়ার পরই তাকে নির্দেশ দিয়েছি, পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য।
এর আগে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সাড়ে পাচআনী হোসাইনীয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রেফাত উল্লাহ, ফরাজীকান্দি আর ওয়েসিয়ে কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আতাউল করিম মুজাহিদ, চাঁদপুর শহরের আহমাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, ওচমানিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ জেলার বিভিন্ন মাদ্রাসায় প্রবেশপত্র বিতরণের নামে বোর্ড নির্ধারিত ১৫০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা আদায় করা হয়। এরপর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ায় চাঁদপুর আমাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে ডেকে এনে অতিরিক্ত টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান।’