তিনি জানান, গত মঙ্গলবার করোনার উপসর্গ নিয়ে আনোয়ারা চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে আসলে সন্দেহভাজন রোগী হিসেবে তাকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এরপর বুধবার দিবাগত রাতে তিনি আইসোলেশন ওয়ার্ডেই মারা যান। আর কিশোরী শারমিন করোনার উপসর্গ নিয়ে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় চাঁদপুর সদর হাসাতালের আইসোলেশনে ভর্তি হয়েছিল। ভর্তির ১২ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার ১২টার দিকে সে মারা যায়। তাদের দুজনেরই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট আসলে জানা যাবে তারা করোনায় আক্রান্ত ছিল কি না।
এই চিকিৎসক বলেন, 'তাদের মরদেহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী দাফন করা হবে। এছাড়া তাদের বাড়ি লকডাউনের জন্য আমরা প্রশাসনকে বলেছি।'