পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ৮০ বছর বয়সী জিয়াউল হক গত ৩-৪ দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। প্রথমে নিজ বাড়িতে স্থানীয়ভাবে তার চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে বুধবার বিকালে হাসপাতালে নেওয়া পথে মারা যান তিনি।
এদিকে দাগনভূঞার ৫০ বছর বয়সী শ্যামল ভূমিক জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। এর মধ্যে বুধবার বিকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ঢাকার নেওয়ার পথে সন্ধ্যায় তিনি মারা যান বলে স্বজন অ্যাডভোকেট রশিক শেখর গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন।
জেলা করোনা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সমন্বয়ক ডা. শরফুদ্দিন মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, লাশ রাতেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন করা হয়েছে। করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।