মানববন্ধনকারীরা তাদের পূর্ব পুরুষদের কবর সংরক্ষণ ও কবরস্থানের পবিত্রতা রক্ষার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তরা জানান, প্রায় ৪০০ বছর পূর্বে ছাড়াইতকান্দি গ্রামের জমিদার দৌলত চৌধুরী এলাকাবাসীর জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে ৯ একর জমিতে একটি দীঘি খনন করেন। দীঘিটির চারপাশে স্থানীয় মৃত ব্যক্তিদের দাফনের জন্য গণকবরস্থান হিসেবে উন্মুক্ত করেন। চার পাশেই ছাড়াইতকান্দি ও সুলাখালী গ্রামের হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুকে সমাহিত করা হয়। বংশানুক্রমে সর্বশেষ মুজিব আলী চৌধুরী গংদের ওয়ারিশ থেকে সুলাখালী গ্রামের ছালেহ আহমদ ও সুজাপুর গ্রামের জাহেদ হোসেন গং দীঘির জলাশয়ে মাছ চাষের জন্য পাঁচ বছরের ইজারা নেন। তারা জলাশয় ইজারা নিয়ে দীঘির দক্ষিণ পাড়ের কবরস্থান ভেঙে ফেলেন। দুটি দোকান ঘর ও পাকা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এছাড়াও দীঘির অপর তিন পাড়েও স্কেভেটর মেশিন দিয়ে কবর ভেঙে ফেলেন। এনিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, দৌলত চৌধুরী দীঘির গণকবরাস্থান রক্ষা কমিটির সভাপতি ও ওয়ারিশ সূত্রে একাংশের মালিক শাহাদাত হোসেন কায়েস চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক নূরুল আলম শিমুল, মুক্তিযোদ্ধা আমিন উল্লাহ, একাংশের ওয়ারিশ মালিক সালাহ উদ্দিন চৌধুরী, গাজী সালাহ উদ্দিন রবিন, করিম উল্যাহ খোন্দকার, আরিফুল ইসলাম, সোহেল ছাকলাদার, আবুল হোসেন, আবুল কালাম, আবদুল শুক্কুর, শফি উল্যাহ, জয়নাল আবেদীন ও বিবি কুলছুম।
এদিকে মানববন্ধন শুরুর ঠিক আগে তাদের ওপর ভূমি দস্যু সালেহ আহম্মদ ও জাহেদ হোসেনের সন্ত্রাসীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন মানববন্ধনকারীরা।