মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) ভোরে ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয় বলে জানান সহপাঠীরা। নিহত মাসুদুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ভাদুঘর গ্রামের ইলিয়াস আহম্মেদের ছেলে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় শহরের জেলা পরিষদ মার্কেটের একটি দোকান থেকে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মোবাইল কেনা নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সহকারী পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ।
পুলিশ সূত্র জানায়,সন্ধ্যা সাতটার দিকে স্থানীয় মোবাইল ব্যবসায়ী ও মাদ্রাসা ছাত্রদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় ককটেল বিস্ফোরিত হলে এলাকাটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এগিয়ে আসেন স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে তারাও মাদ্রাসা ছাত্রদের ধাওয়া করলে ত্রিমুখী সংঘর্ষ বাঁধে।
এসময় টিএ রোড ও কান্দিপাড়া মাদ্রাসা রোডের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে মাদ্রাসা রোডের বেশ কিছু দোকান ভাঙচুর করা হয়। এসময় ওই মাদ্রাসা ছাত্র হাফেজ মাসুদুর রহমান গুরুতর আহত হন। তবে কিভাবে তিনি আঘাত পেয়েছেন তা এখনও জানা সম্ভব হয়নি।
এদিকে হাফেজ মাসুদ নিহত হওয়ার ঘটনায় তার সহপাঠীরা ক্ষুব্ধ হয়ে সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করে। এ ঘটনার পর শহরে চার প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা শহরে টহল দিচ্ছেন। এছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে একাধিক পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বিজিবির ১২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নজরুল ইসলাম বিজিবি মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, পুলিশ সদস্যদের সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে।
/এসএম/টিএন/