হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণের ১৩৪ বস্তা চুরি যাওয়া চাল উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে রুমার ৩ নম্বর রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান জিরা বম এই চাল চুরির সঙ্গে যুক্ত। রুমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ইউপি চেয়ারম্যান চাল ফিরিয়ে দেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (২নভেম্বর) রাতে উদ্ধার হওয়া ১৩৪ বস্তা চাল গুদামে রেখে তালা দেন ইউএনও।
জিরাবম ৩ নম্বর রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান। তিনি আগামী নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গেলো অক্টোবরে হতদরিদ্রদের ভিজিডির ১৩৪ বস্তা চাল বিতরণ না করে তা রেখে দেন ইউপি চেয়ারম্যান জিরা বম। বিষয়টি রুমার ইউএনও জানার পর দ্রুত তা ফেরত দিতে বললে মঙ্গলবার রাতে চাল ফেরত দেন চেয়ারম্যান। পরে তা গুদামে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন ইউএনও।
ইউপি মেম্বার রমেশ ত্রিপুরা বলেন, চাল চুরির বিষয়ে আমার জানা নেই। কত বস্তা চাল তাও জানি না। তবে চেয়ারম্যান নির্দেশ দিয়েছিলেন রাতে চালের বস্তা আসবে, তা ঠিকমতো বুঝিয়ে দিতে।
ভিজিডির চাল চুরির বিষয়টি অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান জিরা বম বলেন, পরে বিতরণের জন্য চাল আমি বান্দরবান সদরে রেখেছিলাম। এর আগেই হই চই হয়ে গেছে। তাই চালের বস্তা বান্দরবান থেকে রুমা নিয়ে এসেছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন শিবলী বলেন, হতদরিদ্রদের ১৩৪বস্তা চাল উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণ না করে রুমার ৩ নম্বর রেমাক্রী প্রাংসা ইউপির চেয়ারম্যান নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। এমন খবর পেয়ে ভিজিডির চালগুলো উদ্ধার করে গুদামে রেখে তালা দিয়েছি।