বান্দরবানের রোয়াংছড়ির বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৩ মারমা আদিবাসী নারীকে অনাথ আশ্রমে রাখার কথা বলে প্রথমে রাঙামাটির মিতিঙ্গাছড়ি বৌদ্ধ বিহারে নিয়ে যায়, পরে সেখান থেকে মিয়ানমারে পাচার করে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন পাচার হওয়া মেয়েদের অভিভাবকরা।
এদিকে রাঙামাটি থেকে আটকের পর তাকে বান্দরবান সদর থানায় এনে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা তার কাছ থেকে তথ্য আদায়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
বান্দরবান সদর থানার (ওসি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: রফিক উল্লাহ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ করে পাচার হওয়াদের অবস্থান সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগদানের কথা বলে মিয়ানমারে নারীদের নিয়ে যায় উসিরি ভিক্ষু। এরপর থেকে আদিবাসী নারীদের অভিভাবকরা নানাভাবে যোগাযোগ করেও তাদের খোঁজ পায়নি। ফলে শুক্রবার সকালে জেলার রোয়াংছড়ি থানায় মানবপাচার আইনে মামলা দায়ের করে অভিভাবকরা।
বৌদ্ধ ভিক্ষু উসিরি ভান্তে জানান, মিয়ানমারের মংণ্ডু শহরতলীর কাছে নেজাদো মন্দিরে ১৩ আদিবাসী নারীকে পাঠান তিনি।গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই এর তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঐ ভান্তেকে আটক করে।
রোয়াংছড়ির সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হ্লাথোয়াই হ্রী মারমা বলেন, মেয়েদের অভিভাবকরা নিরূপায় হয়ে মানবপাচারের মামলা করেছে। তাদের একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়া রহস্যজনক।
/এআর/