চট্টগ্রামে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে মাছ ধরার ট্রলার ডুবে নিখোঁজ আরও এক জেলের লাশ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। রবিবার সকাল ৮টার দিকে আনোয়ারার পূর্ব গহিরা সাঙ্গু নদের তীর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার হয়। এ নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় তিন জনের লাশ উদ্ধার হলো। এখনও পাঁচ জেলে নিখোঁজ আছেন।
দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হকের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লাশ উদ্ধারের বিষয়টি জানানো হয়েছে। কোস্টগার্ড জানায়, উদ্ধার হওয়া জেলের লাশ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে অন্য একটি নৌযানের ধাক্কায় মাছ ধরার ট্রলারটি ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া ট্রলারটিতে ১৯ জেলে ছিলেন। এর মধ্যে ১১ জনকে অদূরে থাকা একটি নৌকা উদ্ধার করে, তবে আট জন নিখোঁজ ছিলেন। তাদের সবাই নোয়াখালীর বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাট এলাকা থেকে গভীর সাগরে মাছ ধরতে যান জেলেরা। শনিবার পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাটের বাইরে বহির্নোঙর থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। আজ একজনের লাশ উদ্ধার করা হলো।
পতেঙ্গা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সাগরে মাছ ধরার ট্রলার ডুবে আট জেলে নিখোঁজের ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ট্রলারটিতে ১৯ জন ছিলেন। এর মধ্যে ১১ জনকে অপর একটি নৌকা জীবিত উদ্ধার করেছে। নিখোঁজ ছিলেন আট জন। তারা সবাই নোয়াখালীর বাসিন্দা। এর মধ্যে চার জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- আবুল বাশার, জামাল উদ্দিন, ফারুক ও ইদ্রিস। নিখোঁজ আট জনের মধ্যে তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।’
ডুবে যাওয়া ট্রলারের মালিক মোহাম্মদ মিরাজ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাট এলাকা থেকে নৌযানটি সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল। দুপুরে অন্য একটি নৌযানের ধাক্কায় সেটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ১১ জনকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় অন্য একটি নৌকা উদ্ধার করে। আট জন নিখোঁজ হন।’