ফেনীর পরশুরামে কবিরাজি চিকিৎসার জন্য এসে এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৪-৫ জন জড়িত বলে জানান ভুক্তভোগী। তার বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, লাকি ও লিমা নামের দুই নারীর সঙ্গে পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকালে কবিরাজি চিকিৎসার জন্য পরশুরামে আসেন ওই নারী। সিএনজি অটোরিকশা স্টেশনে নামার পর কয়েকজন তাকে কবিরাজের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বিভিন্ন স্থানে ঘোরান। রাতে একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েকজন যুবক ধর্ষণ করে। পরে তার মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের আগে সড়কে ওই নারীকে কাঁদতে দেখে তিনি উদ্ধার করেন। পরে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়। ভোরে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির কাছে নারী ধর্ষণের অভিযোগ করেন। এরপরে থানায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, ঘটনার সঙ্গে সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে। ধর্ষণের পর তাকে রাস্তায় ফেলে যায় তারা। থানায় নেওয়ার পর পরশুরাম থানা পুলিশের কাছে বিস্তারিত জানান ওই নারী।
পরশুরাম থানার ওসি মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।