এসময় তিনি রাস্তায় পার্কিং করা গাড়ি সরিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে যানবাহন চলাচলে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রভাবশালী এই নেতাকে ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকায় দেখে অনেক যানবাহন চালকেরা ক্ষণিক সময়ের জন্য ভয় পেয়ে যান। তাকে এক নজর দেখতে লোকজনদের উপস্থিতির কারণেও যান চলাচল করছিল ধীর গতিতে।
বৃহস্পতিবারের পর শনিবার সকাল থেকেই জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শহরের চাষাঢ়া এলাকাতে অবস্থান নিয়ে ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তা করেন। এর আগে গত ১২ জানুয়ারি শামীম ওসমান ও তার লোকজন শহরের যানজট নিরসনে এ কাজটিই করেছিলেন। পরে তিনি সংবাদ সম্মেলন করে সিটি করপোরেশনকে বেশ কয়েটি প্রস্তাবনা দেন। তবে মাঝে ছয় মাস যানজট নিরসনে তাকে কোনও উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি।
তবে স্থানীয়রা জানায়, গত বৃহস্পতিবার শহরের ফুটপাত থেকে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের বসানোর পর থেকেই ছাত্রলীগ ও শনিবার শামীম ওসমান নিজেই মাঠে নামেন। আগামী কয়েকদিন এ কাজটি চলবে বলে জানা গেছে।
তবে শামীম ওসমানের দাবি, ফুটপাতের হকারদের সঙ্গে যানজটের কোনও সম্পৃক্ততা নেই। যানজট হয় ভিন্ন কারণে। আমি নিজেও ফুটপাত হকারমুক্তের পক্ষে। তবে হঠাৎ করে ঈদের আগে তাদের উচ্ছেদ বোধগম্য না। এ কারণেই মানবিক দিক বিবেচনায় হকারদের ফুটপাতে শুধুমাত্র রোজার মাসটিতে বসার জন্য বলেছি।
এবার রোজা শুরুর আগেই জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের যৌথ সমন্বয়ে হকার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। আর এতে শহরের ফুটপাত হকার শূন্য হয়ে উঠে। সাধারণ লোকজন ফুটপাত দিয়ে অনায়াসে চলাচল করতে পারে। তবে গত বৃহস্পতিবার থেকে শামীম ওসমানের ঘোষণায় হকাররা আবারও ফুটপাত দখল করে।
যদিও এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী জানান, যানজট নিরসন ট্রাফিক পুলিশের কাজ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফায়েত আলম সানি জানান, এমপি শামীম ওসমানের নির্দেশনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বৃহস্পতিবার থেকে চাষাঢ়া ও এর আশপাশ এলাকাতে ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তা করছে।
/এনএস/
আরও পড়ুন: গুপ্তহত্যা ও গণগ্রেফতারে হেফাজতের উদ্বেগ