পদ্মার পানি বর্তমানে বিপদসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার, চাল, নগদ টাকা বিতরণ করলেও অধিকাংশ পরিবারের মাঝে এসব ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্ষতিগস্ত অনেক পরিবার তাদের বসতবাড়ি অন্যখানে সরিয়ে নিচ্ছেন।
এদিকে, সরকারি সাহায্য না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন পানিবন্দি মানুষজন।
শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান আহম্মেদ জানিয়েছেন, সরকারিভাবে পানিবন্দি মানুষের জন্য ৩০ টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া নগদ এক লাখ টাকা, শুকনো খাবারসহ চাল ক্ষতিগ্রস্ত এক হাজার পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। বাকি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পরে সাহায্য করা হবে।
/এবি/
আরও পড়ুন
গরিবের ত্রাণ নিয়ে কোনও ছিনিমিনি বরদাস্ত করা হবে না: ত্রাণমন্ত্রী