প্রবল স্রোতে দৌলতদিয়া ঘাট পয়েন্টে চারটি ফেরিঘাটের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সবকটি পদ্মায় বিলীন হয়ে যাওয়ায় ফেরি সার্ভিসের এই বিপর্যয়।
নদী বন্দর রক্ষণাবেক্ষণ ও ফেরিঘাট নির্মাণ ও মেরামতের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)’র প্রকৌশল বিভাগ আগে থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নিলে এ অবস্থা সৃষ্টি হতো না বলে অভিযোগ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)’র মেরিন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বন্যা শুরুর আগ থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পয়েন্টসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা ব্যাপক নদী ভাঙনের কবলে পড়ে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ভাঙন রোধের চেষ্টা চালায়। কিন্তু ফেরিঘাট মেরামত ও নির্মাণে দায়িত্বশীল বিআইডব্লিউটিএ ভাঙন যে এতো রুদ্ররুপ আকার ধারণ করবে তা আঁচ করতে পারেনি।
তবে এখনও পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাটে কয়েকশ বিভিন্ন পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায় আটকে আছে। আটকে থাকা ওইসব পরিবহনের চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন যদি তারা যমুনা সেতু দিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যায় তাহলে যে ডেমারেজ গুনতে হচ্ছে তা আরও দ্বিগুন হবে। মালিকদের সঙ্গে কথা বলে তারা এখনও ফেরি চলাচল শুরুর অপেক্ষা করছেন।
আরও পড়ুন:
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরি সার্ভিস বন্ধ, বিপর্যস্ত ২১ জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা
/বিটি/