প্রিয়ার শ্বশুর দিলীপ সরকার ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আমিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সদর থানা পুলিশ, শ্বশুরবাড়ির লোকজন ও প্রতিবেশীরা জানায়, প্রিয়ার রুমেই তাকে বিবস্ত্র মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘরের আসবাবপত্র ভাঙাচোরা ও ছড়ানো ছিটানো এবং বারান্দার গ্রিলের পকেট দরজার কব্জা ভাঙা দেখতে পাওয়া যায়।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, প্রিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
প্রিয়ার শ্বশুর দিলীপ সরকার জানান, তার ছেলে ঢাকায় পড়ালেখা করে। পুত্রবধূসহ তারা দাশড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। পরে সকালে উঠে প্রিয়ার শয়নকক্ষের দরজা ফাঁকা দেখতে পান। উঁকি দিয়ে দেখেন প্রিয়ার বিবস্ত্র ও রক্তাক্ত মৃতদেহ।
উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জ মহিলা কলেজের বাংলা সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী প্রিয়াঙ্কা সাহা প্রিয়ার সঙ্গে একই এলাকার বুয়েট শেষ বর্ষের ছাত্র দীপঙ্কর সরকারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৭ আগস্ট তাদের বিয়ে হয়। প্রিয়া সাহা একই এলাকার সাধু সাহার মেয়ে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্তের পর বলা যাবে।
এদিকে, খুনের শিকার প্রিয়াঙ্কার পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কোনও অভিযোগ করা হয়নি বলে পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান।
/বিটি/