নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলার সভাপতি আবদুল হাই ও সেক্রেটারি আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদলকে নেতাকর্মীরা সংবর্ধনা জানান। ওই সময়ে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রবিবার আবদুল হাইকে সভাপতি, আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদলে সেক্রেটারী ও সিটি করপোরেশন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীকে সহ-সভাপতি করে ১৪ বছর পর জেলা আওয়ামী লীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে মঙ্গলবার আবদুল হাই ও শহীদ বাদল উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না সেলিনা হায়াৎ আইভী।
সেলিনা হায়াৎ আইভীর সমালোচনা করে শামীম ওসমান বলেন, ‘আইভী প্রথম সহ-সভাপতি না অন্য কোনও পদে তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তিনি সম্ভাব্য সহ-সভাপতি। এছাড়া কমিটি করতে স্থানীয় নেতাদের কাছে কোনও চিঠি আসেনি। বলা হয়েছে সহ-সভাপতি লাগবে। আমিও তার (আইভী) নাম প্রস্তাব করেছি সহ-সভাপতি পদের জন্য। আমি সহ-সভাপতির পদে আসীনের আগে আল্লাহর ওয়াস্তে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে, দলের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যেসব কথা বলেছেন, আপনি (সেলিনা হায়াৎ আইভী) মাফ চেয়ে নিন।’
শামীম ওসমান বলেন, ‘আমাকেও বলা হয়েছিল কমিটিতে থাকার জন্য। কিন্তু আমি কমিটি রাজনীতিতে যেতে চাইনি। আমাকে মন্ত্রী হওয়ার জন্যও কয়েকবার বলা হয়েছিল। আমি সেটাতেও যাইনি। আমি নিজের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে আওয়ামী লীগকে একতাবদ্ধ করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা রাজপথে রাজনীতি করেছেন, তাদের আমি সম্মান করি। তাদের কেউ বর্তমান এমপির লাথি খায়, কেউ আগের এমপির লাথি খায়। আমি চাই, রাজপথের এসব নেতাকে যেন জেলা কমিটিতে মূল্যায়ন করা হয়। সবাইকে তো আর সন্তুষ্ট করা যাবে না। কিন্তু যারা রাজপথের নেতাদের যেন মূল্যায়ন করা হয়। আর আমি আওয়ামীলীগ ও শেখ হাসিনার একজন কর্মী হিসেবে আমাকে রাখতে চাই।’
আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে শামীম ওসমান বলেন, ‘২৯ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ ওসমানী স্টেডিয়ামের সামনে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জনসভা হবে। লাখ লাখ মানুষের জনসভা দেখে দেশের মানুষ অবাক হয়ে যাবে। ওই সমাবেশের জনতার রায় নিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব, কাকে শহরের দায়িত্ব দেওয়া যায়। আমরা মনে করি, জনতার রায়কেই প্রধানমন্ত্রী মূল্যায়ন করবেন।’
/এমএনএইচ/