নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক কিশোরিকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মারুফ হাসান মুন্না নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে তারাবো পৌরসভার কান্দাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃত মারুফ হাসান মুন্না সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুপগঞ্জর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.ইসমাইল হোসেন।
ধর্ষণের শিকার কিশোরির বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন জানান, উপজেলার মৈকুলি এলাকার ওই কিশোরির সঙ্গে মোইবাইল ফোনের মাধ্যমে তেতলাবো এলাকার শহীদুল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। শনিবার সন্ধ্যায় শহীদুল তাকে তেতলাবো বাজারে এসে দেখা করতে বলে। ওই কথা মতো সে শহীদুলের সঙ্গে দেখা করতে তেতলাবো বাজারে যায়। সেখানে যাওয়ার পর শহীদুল ইসলাম, তার বন্ধু কাউসার, শাওন ও জয় মিলে মেয়েটিকে একটি গাড়িতে করে পার্শ্ববর্তী কান্দাপাড়া এলাকার মারুফ হাসান মুন্নার বাড়িতে নিয়ে যায়। তাকে সেখানে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণ করে। ভোরে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। রবিবার রাতে নির্যাতিত কিশোরি বাদী হয়ে রুপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারাব পৌরসভার কান্দাপাড়া এলাকা থেকে মারুফ হাসান মুন্নাকে গ্রেফতার করে।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস জানান, সোমবার দুপুরে আসামি মাফুফ হাসান মুন্নাকে আদালতে পাঠালে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে সিনিয়র জুডিশিল ম্যাজিস্ট্রেট অশোক কুমার দত্তের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে। মারুফ হাসান মুন্না নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে আদালতে দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: রুপা হত্যা মামলায় তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ