গত সোমবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে আশুলিয়ার জিরানী এলাকার লাইলি জেনারেল হাসপাতালের পাশের একটি কক্ষ থেকে আট জুয়াড়িকে আটক করে পুলিশ।
অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলো- আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামিনুর রহমান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জসিম।
আটক জুয়াড়িরা হলেন- আশুলিয়ার জিরানী এলাকার শওকত হোসেন (৩০), সিরাজুল ইসলাম (৩৬), মোহাম্মদ আলী (৩১), গোলাম মোস্তফা (৩২), মোশারফ হোসেন (৪০), আল আমিন (৩০), মহর আলী (২৭) ও আবুল কালাম আজাদ (৩৮)।
আটক ব্যক্তিদের পরিবার সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, আশুলিয়ার জিরানী এলাকার লাইলি জেনারেল হাসপাতালের পাশের একটি কক্ষে বসে জুয়া খেলছিল আট জুয়াড়ি। পরে রাতের দিকে আশুলিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে জুয়ার প্রায় পাঁচ লাখ টাকাসহ তাদেরকে আটক করে। পরে তাদেরকে আশুলিয়া থানা হেফাজতে রাখা হয়। পরে মঙ্গলবার দুপুরে এএসআই জসিম বাদী হয়ে তাদের নামে একটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে জুয়াড়িদের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা পাওয়া গেলেও পুলিশ মামলায় মাত্র ১৬ হাজার তিনশ’ টাকা উদ্ধার দেখিয়ে তাদেরকে আদালতে পাঠায়।
শিমুলিয়া ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মমতাজ বেগম বলেন, ‘আমার ভাই আল-আমিন জুয়াড়ি নন। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি ঘটনাস্থলে তার এক বন্ধুকে ডাকতে গিয়েছিল। অথচ আশুলিয়া থানা পুলিশ তাকেও আটক করে থানায় নিয়ে যায়।’
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘জুয়াড়িদের কাছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ছিল। অথচ পুলিশ তাদের গ্রেফতার করলেও মামলায় মাত্র ১৬ হাজার ৩১০ টাকা দেখিয়ে বাকি টাকা ভাগ-ভাটোয়ারা করে নিয়েছে।’
এ ব্যাপারে সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও পুলিশের সদস্যরা যদি টাকা কম দেখিয়ে আদালতে আসামি পাঠায় তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’