হরিচাঁদ ঠাকুরের উত্তরসূরী শচিপতি ঠাকুর ও হেমাংশুপতি ঠাকুর এই স্নানোৎসবের উদ্বোধন করেন। এসময় পদ্মনাভ ঠাকুর, অমিতাভ ঠাকুর, সুব্রত ঠাকুর, সুচিপতি ঠাকুর শিবুসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উৎসব সফলভাবে সম্পন্ন করতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন এবং স্নানোৎসব ও মেলা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেলায় আসা ভক্তদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন।
হরিচাঁদ ঠাকুরের উত্তরসূরী কাশিয়ানী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সুব্রত ঠাকুর জানান, দেশের বিভিন্ন স্থান ছাড়াও ভারত, নেপাল এবং শ্রীলংকাসহ বিভিন্ন দেশের ভক্তরা এ স্নানোৎসবে যোগ দিয়েছেন। হাতে লাল নিশান এবং ঢোল বাজিয়ে ও উলুধ্বনি দিয়ে মাইলের পর মাইল পথ পায়ে হেঁটে ভক্তরা ছুটে আসেন তীর্থভূমি শ্রীধাম ওড়াকান্দিতে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার বলেন, স্নানোৎসবকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এখানে বড় ধরনের জমায়েত হয়, সেই কারণে ঠাকুরবাড়ির প্রবেশ পথে ও গুরুত্বপূর্ন স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পর্যাপ্ত পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।