মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম আকন্দ জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে আরিফুল তার বন্ধুর মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন। মান্ডা ব্রিজের কাছে গ্রীন মডেল টাউনের সামনের রাস্তায় প্রাইভেটকারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুগদা জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে যায়। পরে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এসআই সেলিম জানান, আরিফুলের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাইভেটকারটি আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, আরিফুল একটি চাকুরির ইন্টারভিউ দিতে এসে, মান্ডায় বন্ধুদের কাছে যায়, এবং সেখানে এক বন্ধুর থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। আরিফুল পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার দাওয়া গ্রামের মোঃ শাহাদাত হোসাইন চান মিয়ার ছেলে। বর্তমানে পশ্চিম জুরাইনে গিয়াসউদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার বিকেলে স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যায়।
বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রেমদাস রায় জানান, সোমবার (৬ আগস্ট) রাতে খিলগাঁও ফ্লাইওভার থেকে মহাখালী কাঁচাবাজারের সামনে অজ্ঞাত এক যুবক (২১) পড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে গেলে, চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংবাদ পেয়ে ঐ হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার পরিচয় পাওয়ার চেষ্টা চলছে। সবুজ গেঞ্জি ও জিন্স প্যান্ট পরিহিত যুবকের ডিএনএ'র নমুনা সংরক্ষণ করার জন্য বলা হয়েছে।
এদিকে, মঙ্গলবার যাত্রাবাড়ির কাজলার সনটেক এলাকায় নির্মাণাধীন ৫ তলা ভবনে কাজ করার সময় পড়ে গিয়ে মোঃ মানিক মিয়া (৩২) নামে শ্রমিক গুরুতর আহত হয়। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সোয়া ২ টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তিনি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার একলাছপুর গ্রামের আলমঙ্গীর হোসেনের ছেলে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির উপপরিদর্শক মোঃ বাচ্চু মিয়া জানান ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন জানান, মঙ্গলবার সকাল পোনে ১১ টার দিকে, ২০/এফ, উত্তর মাদারটেক ৫ম তলার ফ্লাট থেকে এম,এ,ওয়াকিল জাহাঙ্গীর (৫৮) নামে ব্যাবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে টাকা পয়সা সংক্রান্ত বিষয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে নিজের রুমে ফ্যানের সাথে নাইলনের রশি দিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন জাহাঙ্গীর। এ ছাড়াও অন্য কোন কারন রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি। জাহাঙ্গীর নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার নাটেশ্বর গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে।