নিহত কামাল একই গ্রামের সাহেব বাড়ির মজনু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে নয়াকান্দি গ্রামের সেলিম মিয়া নামে এক সিএনজি অটোরিকশাচালক তার অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় একই গ্রামের মোস্তফা মিয়ার ঘরের সঙ্গে অটোরিকশার ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে সেলিম ও মোস্তফার মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উত্তেজনা দেখা দিলে উপস্থিত লোকজন তা মীমাংসা করে দেন। পরে রবিবার দুপুরে সেলিম মিয়ার বাড়ির লোকজন মোস্তফা মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়। জবাবে মোস্তফা মিয়ার বাড়ির লোকজন পাল্টা হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হয়। এসময় পাশ্ববর্তী সাহেব বাড়ির লোকজন বিষয়টি মিমাংসার জন্য এগিয়ে গেলে সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়। আহত কামালকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের জহিরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। কামালের মুত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওসি জাবেদ মাহমুদ জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। আহতদের নরসিংদী, ভৈরব ও ঢাকার বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।