মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের চকমিরপুরে আগুনে পুড়িয়ে শিশু আঁখি আক্তারকে হত্যার রহস্য উদঘাটন ও ঘটনায় জড়িত তার খালু শাহাদাত হোসেনকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের ডিআইও-১ মুহম্মদ আশরাফুল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, আঁখি নামের ১২ বছর বয়সী ওই শিশুকে ধর্ষণের পর গলাটিপে হত্যা করা হয়। পরে প্রমাণ নষ্টে তার দেহটি পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেয় তার আপন খালু শাহাদাত।
বুধবার (২৪ অক্টোবর) আসামি শাহাদাত হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। শাহাদাত দৌলতপুর উপজেলার বড় শ্যামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে।
পুলিশ কর্মকর্তা মুহম্মদ আশরাফুল আলম জানান, দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুনীল কুমার কর্মকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকার ধামরাই থানার বারবারিয়া স্কেল এলাকা থেকে মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে (বুধবার) শাহাদাতকে গ্রেফতার করে। এর আগে গত ২১ অক্টোবর এ ঘটনায় দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে তাকে আদালতে উপস্থিত করা হলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৮ অক্টোবর আঁখিকে তার নানার বাড়ি সাটুরিয়া উপজেলার দিঘলিয়ায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে আসেন শাহাদাত। তবে সেখানে না নিয়ে আঁখিকে কৌশলে দৌলতপুরের চকমিরপুর এলাকায় নিয়ে যান শাহাদাত। দুই দিন ওই এলাকায় আঁখিকে রাখার পর ২০ অক্টোবর গভীর রাতে তাকে ধর্ষণ করে শাহাদাত। পরে প্রমাণ নষ্ট করতে আঁখিকে গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যা এবং পেট্রোল ঢেলে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় শাহাদাত।