গোপালগঞ্জ থেকে শুরু হলো ট্রেন চলাচল, এলাকাবাসীর স্বপ্ন পূরণ

 

গোপালগঞ্জ তেকে ট্রেন চলাচল শুরুবৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর পৌনে দুইটায় গোপালগঞ্জ থেকে রাজশাহীগামী ‘টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস’ ছেড়ে যাওয়ার মধ্যদিয়ে গোপালগঞ্জ থেকে বিভিন্ন রুটে রেল যোগাযোগ শুরু হয়েছে। এর মধ্যদিয়ে গোপালগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষার অবসান ঘটলো। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ-কাশিয়ানী ৪৪ কিলোমিটার রেল লাইনের উদ্বোধন করেন। ১২শ ৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এ রেল লাইন নির্মাণ করা হয়।

২০১৫ সালের নভেম্বরে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ও তমা গ্রুপ এই রেল লাইনের কাজ শুরু করে। গত মাসে তারা কাজ শেষ করে। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থেকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর বয়রা পর্যন্ত ৪৪ কিলোমিটার রেল লাইন সম্প্রসারণ করা হয়।

গোপালগঞ্জ জেলা সদরে রেল লাইন নির্মাণ হওয়ায় গোপালগঞ্জবাসী খুবই আনন্দিত। তারা এখন অল্প খরচে এবং নিরাপদে বিভিন্ন জয়গায় ভ্রমণ করতে পারবেন। বৃহস্পতিবার নতুন চলু ট্রেনে কেউ রাজশাহী, আবার কেউবা শুধুমাত্র আনন্দ উপভোগ করতে ছেলে মেয়ে নিয়ে কাশিয়ানী পর্যন্ত বেড়াতে যান। আবার সেখান থেকে বাড়ি ফেরেন। সদর উপজেলার উলপুরের ব্যবসায়ী ফিরোজ মোল্লা (৫৩) ও টুঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা আকবর আলি জানান, এটা একটা অন্য ধরনের অনুভূতি। আমরা গোপালগঞ্জ থেকে রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বল্প খরচে এবং নিরাপদে যেতে পারবো।

রেলওয়ে পশ্চিম জোন এর প্রধান প্রকৌশলী মো. রমজান আলী ও জিএম মজিবুর রাহমান জানান, গোপালগঞ্জ-রাজশাহী ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষের অনেক সুবিধা হবে। এলাকার মানুষের চাহিদা বাড়লে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানান তারা।

রেলপথ মন্ত্রাণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এই রেলওয়ে চালু হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষ উপকৃত হবে। মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে। সারা দেশের সঙ্গে একটা নেটওয়ার্ক তৈরি হলো গোপালগঞ্জের। এই রেল লাইনের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জ জেলাবাসীর স্বপ্ন পূরণ হলো।