স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার রাত ২টায় অ্যাম্বুলেন্সে করে নিহত দেলোয়ার (৩২), তার স্ত্রী জামসেদা বেগম (২৫), ছেলে জোনায়েদ (৬), নিখোঁজ শাহিদার দুই মেয়ে মীম (৮) ও মাহির (৬) মরদেহ গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের তারাবুনিয়ায় পৌঁছায়। রবিবার সকাল ৮টায় স্থানীয় কিরননগর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ নিজে উপস্থিত থেকে নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের সান্ত্বনা দেন এবং সকল কাজের তদারকি করেন।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ বলেন, শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দেxয়ার মতো ভাষা আমাদের নেই। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবং ব্যক্তিগতভাবে যতোটুকু সম্ভব পাশে থাকার চেষ্টা করছি।
উল্লেখ্য, ছোট বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেশের বাড়ি শরীয়তপুর আসছিলেন চাচাতো ভাই শাহজালাল ও বোন জামসেদার পরিবারেরর সাতজন।সদরঘাটে নৌকা দিয়ে লঞ্চে ওঠার সময় সুরভী-৭ নামে একটি লঞ্চের ধাক্কায় নৌকাটি ডুবে যায়। পরে আহত অবস্থায় শাহজালালকে (৩৮) উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ হয় তার স্ত্রী শাহিদা বেগম (৩০), দুই মেয়ে মীম (৮) ও মাহি (৬), বোন জামসেদা (২৫), তার স্বামী দেলোয়ার (৩২) ও ছেলে জোনায়েদ (৬)। এদের মধ্য পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখন পর্যন্ত শাহিদা বেগমের খোঁজ পাওয়া যায়নি।