শামীম ওসমান বলেন, ‘আমার নির্বাচনি এলাকা-সিদ্ধিরগঞ্জে ছেলেধরা সন্দেহে একজন প্রতিবন্ধী ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ নিয়ে মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের ৯৫ শতাংশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। ৩০ শতাংশ প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। আমার মনে হয়, এই মামলা নিয়ে খেলা শুরু হয়েছে। মামলার বাদী থানায় জিডি করেছেন। তার স্বাক্ষর জাল করে ৭৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। বাদী ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দিয়েছেন। তাহলে এত মানুষের নাম এলো কী করে? আমার মনে হয়, পুলিশের কিছু অতি উৎসাহী অফিসার এই কাজ করেছেন।’
এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার একজন চৌকষ অফিসার। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে বলেছেন, এই মামলায় কোনও নিরপরাধ ব্যক্তির নাম এলে তদন্ত করে তা বাদ দেওয়া হবে। আমি বিশ্বাস করি, তিনি যা বলেন তা করেন। এই মামলায় কোনও পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে অতি উৎসাহের প্রমাণ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন বলেন, ‘সিদ্ধিরগঞ্জ হলো নারায়ণগঞ্জের গোপালগঞ্জ। তারপরও কিছু কিছু পুলিশ অফিসার ষড়যন্ত্র করছে। অনেক অফিসার আওয়ামী লীগের অনেক নেতার বিরুদ্ধে নিউজ করতে কিছু কিছু সাংবাদিককে উৎসাহ দিচ্ছেন।’ এ জন্য প্রশাসনের মধ্যে শুদ্ধি অভিযান চালানোর আহ্বান জানান শামীম ওসমান।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি চন্দন শীলের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেনসহ অনেকে।