নিহত শিশু স্বর্ণা নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পানিয়াল পুকুর কাচিয়াহাট এলাকার মজির আলীর মেয়ে। সে কালিয়াকৈর উপজেলার আন্দারমানিক এলাকার আব্দুল্লাহ মডেল পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। অভিযুক্ত ঘাতক সৎ বাবা মশিউর রহমান নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পানিয়াল পুকুর কাচিয়াহাট এলাকার মৃত কালাতছিরের ছেলে। ঘটনার পর থেকে মশিউর পলাতক রয়েছে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন মজুমদার জানান, স্বর্ণার মা রুপালী বেগম তিন সন্তানের জনক মশিউর রহমানকে বিয়ে করে। বিয়ের পর সৎ বাবা ও নিজের মায়ের সঙ্গে স্বর্ণা ও তার বড় ভাই রুবেল কালিয়াকৈরের সাহাজ উদ্দিনের বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিল। তার মা রুপালী ও বড় ভাই স্থানীয় পোশাক কারখানায় কাজ করে। সৎ বাবা মশিউর কোনো কাজকর্ম না করে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এ নিয়ে পরিবারে কলহ লেগে থাকতো।
ওসি জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে স্বর্ণার মা ও সৎ বাবার মধ্যে ঝগড়া হয়। সকালে মা ও বড় ভাই কারখানায় কাজে চলে যান। এলাকাবাসী ও পাশের ভাড়াটিয়ারা বিকেল ৫টার দিকে তাদের ঘরের পাশের খালি কক্ষে স্বর্ণার গলা কাটা লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয়। রাত সাড়ে ৭টার দিকে কালিয়াকৈরের মৌচাক ফাঁড়ি পুলিশ দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আলমগীর হোসেন মজুমদার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে সৎ বাবা ধারালো চাকু দিয়ে তার শিশু মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করেছে।