সরেজমিন দেখা গেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যপরিবহন বাদে সকল প্রকার যানবাহন চেকপোস্ট থেকে ঢাকার দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে যাত্রীরা গাড়ি থেকে নেমে বিকল্প হিসেবে অনেকে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা হয়েছেন। আবার অনেককে ভাড়াচালিত মোটরসাইকেলেও যেতে দেখা গেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ঘরমুখী মানুষ।
নাটোর জেলার ধানকাটা শ্রমিক সোহরাব হোসেনের সঙ্গে কথা হয় মহাসড়কের নাটিয়াপাড়া এলাকায়। তিনি বলেন, ‘কালিয়াকৈরে ধান কাটার কাজ করেছি। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে গাড়ি না পেয়ে পায়ে হেঁটেই বাড়িতে যাচ্ছি। সড়কে ট্রাক-পিকআপ যাতায়াত করলেও সেগুলোতেও আমাদের নিচ্ছে না।’
মির্জাপুরের চরপাড়া মোড় এলাকায় চেকপোস্টে দায়িত্বরত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর শওকত হোসেন বলেন, ‘যেসব ব্যক্তি অসুস্থ ও মন্ত্রণালয়ের অনুমতি রয়েছে মূলত তাদের যেতে দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও যাত্রীবাহী গাড়ি যেদিক থেকে এসেছে সেদিকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যেসব গাড়ির কাগজপত্র নেই সেগুলোর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হচ্ছে।’