আড়াই ঘণ্টা বন্ধের পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি চলাচল শুরু

ঘন কুয়াশার কারণে আড়াই ঘণ্টা বন্ধের পর মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। বুধবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ৬টায় ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সাড়ে ৮টা থেকে আবারও ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। 

তবে ফেরি চলাচলা শুরু হলেও ঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে এখনও দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে।ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে অর্ধশতাধিক যাত্রীবাহী বাসসহ সাতশ’ যানবাহন। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়িগুলো আগে পারাপার হওয়ার সুযোগ পাবে। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমে আসবে।

বিআডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের অববাহিকায় পদ্মা নদী কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে কুয়াশা বেড়ে গেলে বুধবার সকাল ৬টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় পথ হারিয়ে উভয় ঘাট থেকে ছেড়ে আসা খানজাহান আলী ও হাসনা হেনা নামের দুটি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে মাঝ পদ্মায় নোঙর করতে বাধ্য হয়। এদিকে পাটুরিয়া প্রান্তে আটটি ও দৌলতদিয়া প্রান্তে ছয়টি ফেরি অবস্থান করছে।

পারাপার বন্ধ থাকায় ঘাটে আসা যাত্রীবাহী বাস, ব্যক্তিগত বিভিন্ন গাড়ি ও পণ্যবাহী গাড়ি পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় আটকে পড়ে। এসব যাত্রীবাহী বাস পাটুরিয়া-উথলী সংযোগ সড়কে নদী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। ব্যক্তিগত বিভিন্ন গাড়ি পাটুরিয়ার পাঁচ নম্বর ঘাট থেকে আরসিএল মোড় পর্যন্ত দীর্ঘ সারিতে আটকা পড়েছে। এ ছাড়া পণ্যবাহী গাড়িগুলো পাটুরিয়ায় টার্মিনাল, পাটুরিয়া-উথলী সড়ক ও উথলী মোড় এলাকায় সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। কুয়াশায় পারাপার বন্ধ থাকায় শীতের মধ্যে ভোগান্তিতে পড়েছে তারা। বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের দুর্ভোগ বেশি।

ঘাট এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক যুবায়েদ হোসেন বলেন, ফেরি বন্ধ থাকায় যানবাহনের চাপ বাড়ছে। সকাল সাড়ে ৮টার পর কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। সাড়ে ৯টা পর্যন্ত অর্ধশতাধিক বাস, দেড় শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি ও পাঁচ শতাধিক পণ্যবাহী গাড়ি পাটুরিয়া প্রান্তে আটকা পড়েছে।