মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান দেশে হত্যার রাজনীতি চালু করেছিলেন। তিনি যুদ্ধকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, বিমান বাহিনীর সাত শতাধিক সদস্যকে খুন-গুম করেছিলেন। আদালতের রায় ঘোষণার আগেই তিনি অনেক সৈনিককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছেন। তার দালিলিক প্রমাণ মুক্তিযুদ্ধ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রয়েছে।’
শনিবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি থানা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন—আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতাউল্লাহ মন্ডল ও সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ।
সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে অকার্যকর করতে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে আবোলতাবোল কথা বলছে বিএনপি। আওয়ামী লীগ কলাগাছ নয়, পিঠ ঘষতে এলে আরাম লাগবে। আওয়ামী লীগ কাঁটা মান্দার গাছ, কেউ পিঠ ঘষতে এলে চামড়া উঠে যাবে। তাই বুঝেশুনে কথা বলবেন।’
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশি প্রভুদের ইঙ্গিতে আজ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি। বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে—এটা যারা সহ্য করতে পারে না তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।’
সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মির্জা আজম এমপি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা রাজাকার ছিলেন। মির্জা ফখরুল নিজেও ১৯৭১ সালে ভারতে গিয়েছিলেন। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা তাকে বিশ্বাস করেননি। তাকে আটক রাখা হয়েছিল, তার গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়েছিল। তাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ট্রেনিং দেওয়া হয়নি। ১৬ ডিসেম্বরের পর তার বাবা দেশে থাকতে পারেননি। তার বাবা ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর দেশে এসেছিলেন।’