এই মামলা বিচারাধীন অবস্থায় প্রায় দুই বছর হাজতবাস করেছেন কাজী সেলিম।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০০৩ সালের ২৯ মার্চ রাতে ঘরে ঢুকে প্রতিবেশী এক গৃহবধূকে ধারালো ছুরি ঠেকিয়ে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করেন সেলিম। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ওই গৃহবধূর চিৎকারে বাড়ির লোকজনের এগিয়ে আসার আশঙ্কায় ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যান সেলিম। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূকে হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা। এ ঘটনায় সেলিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ওই গৃহবধূ।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ এবং যুক্তি-তর্ক শেষে ওই রায় দিয়েছেন।
একই সঙ্গে এই মামলা বিচারাধীন অবস্থায় সেলিম দুই বছর ১৮ দিন হাজতবাস করায় ওই সাজা থেকে তা বাদ দেয়ারও আদেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান আইনজীবীরা।
রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর একেএম নুরুল হুদা ও আসামি পক্ষে হাসান জাফর ইমাম মামলাটি পরিচালনা করেন।
/এআর/