সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সারাদেশে নৌযান শ্রমিকরা ২০ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ধর্মঘট পালন করে। বিষয়টি নিরসনে গত ২৬ এপ্রিল নৌমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের উপস্থিতিতে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বহু দর কষাকষির পর উভয়পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। তখন নৌমন্ত্রী একতরফাভাবে ক শ্রেণির নৌযানের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মজুরি ১০ হাজার টাকা, খ শ্রেণির নৌযানের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মজুরি ৯ হাজার পাঁচ’শ টাকা ও গ শ্রেণির নৌযানের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মজুরি ৯ হাজার টাকা ঘোষণা দেন এবং অন্যান্য সকল স্টাফদের বেতন কাঠামো নির্ধারণের জন্য একটি কমিটি গঠন করেন। নৌযান মালিকরা ওই বৈঠকে গ শ্রেণির জন্য সবনিম্ন মজুরি ৫ হাজার দুশ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেন। নৌমন্ত্রীর এ ঘোষণায় সন্তুষ্ট হতে না পেরে নৌযান মালিকরা বৈঠক ত্যাগ করেন।
আরও পড়ুন:
ভালো নেই মায়ের গর্ভে গুলিবিদ্ধ সেই সুরাইয়া
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আজ ১ মে দুপুরে খুলনা নৌ পরিবহন মালিক গ্রুপের এক বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আগামী ১০ মের মধ্যে নৌমন্ত্রী ঘোষিত সর্বনিম্ন মজুরি প্রত্যাহার করা না হলে ১১ মে থেকে নৌযান মালিকরা লাগাতার কর্মবিরতি পালন করবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এস এম আকবর হোসেন, ওয়াহিদুজ্জামান খান পল্টু, মো. আব্দুল গফফার, মো. খুরশিদ আলম কাগজি, কাজী গোলাম ফারুক, মো. হাফিজুল ইসলাম চন্দন, এম এম আসাদুজ্জামান, মো. নুরুল ইসলাম খান কালু, মো. মনিরুজ্জামান খান বাবু, মো. ফারুক আহাম্মেদ খান, মো. ওসমান গনি, অসীম কুমার সোম, মো. নজরুল ইসলাম, এম এম আজাহার আলী, মো. জহির হোসেন, কাজী ফেরদৌস হোসেন, মো. আইয়ুব আলী খান, মো. শাহাদাৎ হোসেন মল্লিক, মো. হাকিম হাওলাদার, মো. জোবায়ের হোসাইন, মো. ইলিয়াস হোসেন লাবু, চিনময় সাহা, সালমান আলম, এস,এম,আসিফ মঈন, মো. ফিরোজ কবীর, মো. আব্দুর রশিদ, মো. শাহ আলম তুহিন, সঞ্চিব দাস, মো. আব্দুল হান্নান, জি এম আব্দুস সাত্তার, মো. জসিম প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
টার্গেট কিলিং ঠেকানোর পথ পাচ্ছে না সরকার
/বিটি/