দণ্ডপ্রাপ্ত বিলকিস বেগম পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বালিয়া গ্রামের আয়াতুল্লাহ খোমিনের দ্বিতীয় স্ত্রী বিলকিস বেগম ২০০৯ সালের ১৩ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে তার সৎ ছেলে রাব্বীকে ভাত খেতে বাড়িতে ডাকেন। শিশুটি ভাত খেতে না চাইলে তাকে লাঠি দিয়ে মারার হুমকি দেন বিলকিস। ভয়ে শিশুটি সামান্য ভাত খাওয়ার পরপরই চিৎকার করতে থাকে। এ সময় তার দাদি তাহারুননেসাসহ প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। স্থানীয়দের চাপের মুখে বিলকিস স্বীকার করেন ভাতের সঙ্গে ফুরাডান নামে একটি কীটনাশক মিশিয়ে দেওয়ার বিষয়টি। এরপর শিশুকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় রাব্বী। পরে পুলিশ বিলকিসকে আটক করে।
এ ঘটনায় নিহতের চাচা মমিনুর রহমান বাদী হয়ে ১৪ অক্টোবর ঝিকরগাছা থানায় বিলকিসকে আসামি করে মামলা করেন। ঝিকরগাছা থানার এসআই দিলীপ কুমার বিশ্বাস ২০১০ সালের ৯ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বিলকিস আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন। তারপর থেকেই তিনি পলাতক।
দীর্ঘ সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিলকিস বেগম দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় বুধবার যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা) নিতাই চন্দ্র সাহা তাকে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
আরও পড়ুন: থানা হাজতে ভ্যানচালকের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের
/বিটি/টিএন/আপ-এআর/