বুধবার বিকেলে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. সামছুল হক।
সাজাপ্রাপ্ত আলী আহম্মেদ পলাতক রয়েছেন। তার বাড়ি ঝিকরগাছার গঙ্গানন্দপুর গ্রামে।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০০০ সালের ২৯ জুলাই রাত সাড়ে দশটার দিকে আব্দুল জলিল তার ভাই মতিয়ারের বাড়িতে মোটরসাইকেল রেখে নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।পরদিন সকালে স্থানীয়রা পাশের ঋষিপাড়ার বিজয় চৌকিদারের জমিতে আব্দুল জলিলের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে আনেন।
এ ঘটনায় নিহত আব্দুল জলিলের ছেলে শাহেদুর রহমান বাদী হয়ে পরদিন অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে ঝিকরগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক (ওসি) আফম ওয়াহিদুজ্জামান ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদলতে চার্জশিট জমা দেন।
মামলার বাদী আদালতে চার্জশিটের ব্যাপারে নারাজি পিটিশন দিলে শুনানি শেষে বিচারক পুনঃতদন্তের আদেশ দেন। পুনঃতদন্ত শেষে তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার সান্তনু ঘোষ ২০০২ সালের ৩১ মে ১৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে নতুন করে চার্জশিট জমা দেন। এরপর মামলার চার্জ গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।
সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি তাজমিলুর রহমান স্বপন ও এপিপি আসাদুজ্জামান বাবুল।
আসামি পক্ষে ছিলেন আব্দুস শহীদ লাল, মোহাম্মদ ইসহক, দেবাশীষ দাস, আব্দুল কাদের আজাদ প্রমুখ।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে নিখোঁজ নর্থ সাউথের সাবেক ছাত্র আকিবের গাড়ি উদ্ধার
/এআর/