আরিফের স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক বোন, শ্বশুর-শাশুড়িসহ নিকট আত্মীয়রা তার সঙ্গে দেখা করেন। সাড়ে ১২টার দিকে কারাগারে প্রবেশ করে দুপুর আড়াইটা নাগাদও তারা কারাগারের ভেতরে ছিলেন। খুলনার কারা সুপার কামরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর আজ রবিবার রাতেই লাশ আরিফের গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদরের বান্দরগাছিয়ায় পাঠানো হবে বলেও জানান কামরুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, বিচারক জগন্নাথ পাঁড়ে ও সোহেল আহমেদ হত্যা মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ জনের মধ্যে ৬ জনের ফাঁসি ইতোমধ্যেই কার্যকর করা হয়েছে। আরিফের ফাঁসির মধ্য দিয়ে সাজা কার্যকরের প্রক্রিয়া শেষ হবে।
এর আগে খুলনা জেলা কারাগারের জেলার জান্নাতুল ফরহাদ বলেন, ‘এই আসামির (আরিফের) ফাঁসি ১৭ অক্টোবরের মধ্যে কার্যকর করতে হবে। সে লক্ষ্যেই কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে, ফাঁসি সাধারণত সময় শেষ হওয়ার একদিন আগেই কার্যকর করা হয়। তাই ১৬ অক্টোবর ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। এ ক্ষেত্রে একদিন হাতে রাখা হয়। এ ব্যাপারে এখনই বিস্তারিত তথ্য জানানোর সুযোগ নেই।’
উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর সকালে ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতে যাওয়ার পথে দুই বিচারককে বহনকারী মাইক্রোবাসে বোমা হামলা হয়। এর ফলে বিচারক জগন্নাথ পাঁড়ে ও সোহেল আহমেদ নিহত হন। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার শুনানি শেষে ২০০৬ সালের ২৯ মে দুই বিচারক হত্যা মামলার রায়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহম্মেদ জেএমবির ৭ জনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।
২০০৭ সালের ২৯ মার্চ জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাই, শায়খ আব্দুর রহমানের ভাই আতাউর রহমান সানি, জামাতা আবদুল আউয়াল, ইফতেখার হোসেন মামুন, খালেদ সাইফুল্লাহ ওরফে ফারুকের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। অবশিষ্ট ফাঁসির আসামি আরিফ ২০০৮ সাল থেকে খুলনা জেলা কারাগারে রয়েছে।
আরও পড়ুন-
ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের নেতৃত্বে আসছে নতুন কওমি বোর্ড
/এফএস/