মংলা কাস্টমসের বিরুদ্ধে এনবিআরের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ

কাস্টম হাউসমংলা কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সিদ্ধান্ত অমান্য করে চলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরপর ৪টি টেন্ডারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না দিয়ে নতুন করে আবার টেন্ডার আহ্বান করেছে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষ যা এনবিআরের নীতিমালাবিরোধী। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এমন অভিযোগ করেছেন একাধিক ঠিকাদার।
ঠিকাদারদের অভিযোগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত হলো- প্রতি মাসের টেন্ডারের সিদ্ধান্ত প্রতি মাসেই জানিয়ে দিতে হবে। কিন্তু মংলা কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সেই সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে চলেছেন। ঠিকাদাররা ব্যাংক থেকে চড়া সুদের ঋণ নিয়ে জামানাতের টাকা দেন। সেই টাকা আটকে যাওয়ায় মাসের পর মাস ঠিকাদারদের সুদ গুণতে হচ্ছে।
ঠিকাদাররা আরও জানান, টেন্ডারগুলোর সিদ্ধান্ত না হওয়ায় ঠিকাদাররা পড়েছেন বিপাকে। ৪/৫ কোটি টাকার ব্যাংক ড্রাফট আটকে যাওয়ায় তারা নতুন করে টেন্ডারে অংশ নিতে পারছেন না। প্রতি মাসে তাদের ব্যাংক সুদ দিতে হচ্ছে বলে জানা যায়।
মংলা কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা এনবিআর এর নির্দেশনা মেনে চলি। আগের টেন্ডারগুলোর যাচাই বাছাইয়ের কাজ চলছে। খুব শিগগিরই এগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

মংলা কাস্টমস সূত্র জানান, মংলা বন্দরে আটকে থাকা গাড়িসহ অন্যান্য মালামাল বিক্রির জন্য গত ২৭ জুলাই আহ্বান করা হয় নিলাম সেল ৭। এরপর গত ৩১ আগস্ট নিলাম সেল ৮, ২৭ সেপ্টেম্বর নিলাম সেল ৯ এবং ২৫ অক্টোবর নিলাম সেল ১০ আহ্বান করা হয়। এ সব টেন্ডারে মংলা কাস্টমসের দেড় শতাধিক ঠিকাদার অংশ নেন। টেন্ডারগুলোর জামানত দেওয়ার জন্য ঠিকাদাররা ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেন।

/এইচকে/