খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি সবার সাংবিধানিক অধিকার। এ অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করেছে। খাদ্য উৎপাদন থেকে তা খাবার টেবিল যাওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য সরকারের ৪৮০টি বিভাগ একত্রে কাজ করছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। ভেজাল রোধে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার চালু করা হবে।’
খাদ্যে ভেজাল ও দূষণ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে যশোর শিল্পকলা একডেমিতে রবিবার ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ বাস্তবায়নে জনসচেতনতা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নিরাপদ খাদ্য আইন পাশ করেছে। এতে মানুষের নিরাপদ খাদ্য পাওয়ার আইনি বৈধতা তৈরি হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশেষ অতিথি স্বপন কুমার ভট্টাচার্য বলেন, ‘মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আমরা সেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারিনি। আশার কথা হচ্ছে বর্তমান সরকার সেই কাজটি করার উদ্যোগ নিয়েছে।’
/এসটি/