বিএনপি নেতা মিঠুকে হত্যার পর সাইনবোর্ডেই ২৩টি গুলি করে সন্ত্রাসীরা

নিহত বিএনপি নেতা মিঠুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলাউদ্দিন মিঠুকে তার অফিসে ঢুকে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। এরপর বের হয়ে যাওয়ার সময় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স মিঠু এন্টাপ্রাইজের সাইনবোর্ডে ২৩টি গুলি করে তারা। যা গোটা এলাকা জুড়েই আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

খুলনা জেলা পুলিশ সুপার নিজামুল হক মোল্লা বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানে দেখা যায় মিঠুর প্রতিষ্ঠনের সাইনবোর্ডেই অসংখ্য গুলির চিহ্ন রয়েছে। অফিসের ভেতরে মিঠুর রক্তাক্ত দেহ পরে ছিল। ধারণা করা হচ্ছে সন্ত্রাসীরা মিঠুর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে। এরপর মিঠু ঘটনাস্থলেই মারা যান। হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করার পর সন্ত্রাসীরা বের হয়ে আসে এবং আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য বাইরে ব্যাপক গুলি বর্ষণ করে। যা মিঠুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডটির দিকে তাকালেই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে।

Khulna Pic 1 (26-05-17)তিনি আরও বলেন, যেহেতু মিঠুর দুজন দেহরক্ষীর কাছে অস্ত্র থাকে তাই সন্ত্রাসীরা সামগ্রিক পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করতেই বাইরে এসে এভাবে গুলি করে থাকতে পারে। মিঠুর দেহরক্ষীরা যেন পেছন থেকে সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্যে গুলি করার চিন্তা করতে না পারে সেজন্য আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য এভাবে গুলি করা হতে পারে।

/বিএল/

আরও পড়ুন:
খুলনায় দেহরক্ষীসহ খুন হলেন বিএনপি নেতা মিঠু

‘পারিবারিক দ্বন্দ্বে’ বাবা ও ভাইয়ের পর খুন হলেন মিঠু