তিনি বলেন, ‘চাঁদপাই রেঞ্জের ৪টি স্টেশন ও ২০টি ক্যাম্প কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করা হয়েছে যে, পাচার রোধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ বনরক্ষী ও কর্মকর্তাদের কোনওমতেই ছাড় দেওয়া হবে না।’ ঈদ পরবর্তি এক সপ্তাহ এ রেড এলার্ট বলবৎ থাকবে বলেও জানান তিনি।
বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মেহিদীজ্জামান বলেন, ‘সাধারণত প্রতি ঈদ মৌসুমকে টার্গেট করে বনের গহীনে পাচারকারী চক্রের দৌরাত্ম্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এ অবস্থায় এবারের ঈদে বনজ সম্পদ পাচারকারীসহ বন অনুপ্রবেশকারীরা যেন কোনওভাবেই সুন্দরবনে অনুপ্রবেশসহ বেআইনি কাজ সংঘটন করতে না পারে সে ব্যাপারে বনবিভাগ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ লক্ষে সোমবার থেকেই চাঁদপাই রেঞ্জের প্রতিটি স্টেশন ও ক্যাম্প এলাকায় বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বনের গহীনসহ সংলগ্ন লোকালয়ে বন রক্ষীদের টহল ব্যবস্থা আগের যেকোনও সময়ের তুলনায় জোরদার করা হয়েছে।’
বনবিভাগ সূত্র জানায়, বনকর্মকর্তাদের নিয়ে ডিএফও মো. মাহমুদুল হাসান জরুরি বৈঠকে বসেন। এ বৈঠকে ঈদকে সামনে রেখে বনের গহীন থেকে বনজ দ্রব্য পাচার ও প্রাণী বিশেষ করে হরিণ শিকার বৃদ্ধির আশঙ্কায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে রেঞ্জ কর্মকর্তা বন কর্মকর্তা ও রক্ষীদের বনের গহীনে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার বন্ধে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়াসহ টহল ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর তাগিদ দেন। এছাড়া বনে যাতে করে দুর্বৃত্তরা অনুপ্রবেশ করে কোনও ধরনের নাশকতা ঘটাতে না পারে সেজন্য সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।