কেসিসি নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার ঘোষণা বিএনপি’র

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনখুলনা সিটি করপেরেশন নির্বাচনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি নেতারা। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত যৌথ সভা থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

সভায় বলা হয়, ১৫ মে কেসিসির নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে জনজোয়ার সৃষ্টি করা হবে। জনগনকে সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে ফলাফল বুঝে নেওয়া হবে। যাতে কোনও ভোটডাকাত, সন্ত্রাসী, পেশীশক্তি ও কালো টাকার মালিকরা নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে না পারে।

যৌথ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা। প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি এবং কেসিসি নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কেসিসির মেয়র মনিরুজ্জামান মনি এবং নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা। সভা পরিচালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান।

সভা থেকে ২০ দলীয় জোটের পক্ষে নির্বাচন পরিচালনার জন্য সমন্বয়কারীর দায়িত্ব প্রদান করা হয় জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনাকে। এছাড়া কেসিসি নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। এতে নগর বিএনপির সিনিয়রসহ সভাপতি সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজাকে আহ্বায়ক, আমীর এজাজ খানকে সদস্য সচিব এবং নগর ও জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সদস্য করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

এছাড়া নির্বাচনি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আরও ১১টি উপকমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়। সভা থেকে জানানো হয়, খুলনা সিটি করপোরেশনের ৪ লাখ ৯৩ হাজার ভোটারের কাছে ধানের শীষে ভোট  দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান পৌছে দেওয়া হবে। বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত টিম এই বিষয়ে কাজ করবে। এছাড়া ঢাকা থেকে বিএনপির শীর্ষ নেতারা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সদস্যদের টিম খুলনায় এসে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেবে। বিজয় অর্জন ছাড়া বিএনপির সামনে আর কোনও পথ খোলা নেই বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।

সভায় জেলা বিএনপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন গাজী তফসির আহমেদ, খান জুলফিকার আলী জুলু, মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, জি এম কামরুজ্জামান টুকু, এস এ রহমান বাবুল, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, খান আলী মুনসুর, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম জোয়াদ্দার জলি, আব্দুর রকিব মল্লিক, মোস্তফা উল বারী লাভলু প্রমুখ। মহানগর বিএনপির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মীর কায়সেদ আলী, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, মোল্লা আবুল কাশেম, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, স ম আব্দুর রহমান, ফখরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলামসহ অনেকে।