মোহাম্মদ সুজন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় তার বাবার সঙ্গে মোবাইল ফোনে সর্বশেষ কথা হয়। পরদিন থেকে তার সেলফোন বন্ধ ছিল।
তিনি জানান, লক্ষ্মীপুরে বাড়ি হলেও তিনি ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় একটি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। ২৪ জুলাই সকালে বিভিন্ন টেলিভিশনে অজ্ঞাত দু’ব্যক্তির লাশ যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রয়েছে জানতে পেরে বুধবার সকালে তারা যশোরে আসেন।
তার বাবার বিরুদ্ধে কোনও মামলা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি না সূচক মন্তব্য করেন।
যোগাযোগ করা হলে যশোরের মণিরামপুর থানার ওসি মোকাররম হোসেন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা কারও পরিচয় জানতে পারিনি। কেউ আমাদের এ বিষয়ে কিছুই জানায়নি। যদি কারও লাশ শনাক্ত হয়, তবে হাসপাতালে আমাদের অফিসার আছেন, তিনিই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে দেবেন।
প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুলাই রাত দুইটার দিকে পুলিশ মণিরামপুর উপজেলার পুলেরহাট-রাজগঞ্জ সড়কের গাঙ্গুলিয়া জামতলা রাস্তার পাশ থেকে দুটি গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে। একইসাথে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় চারটি দা, দুটি রশি ও একটি করাত।