শার্শা ও কেশবপুরের গুলিবিদ্ধ লাশ দুটি সহোদর ভাইয়ের



যশোরযশোরের শার্শা ও কেশবপুর উপজেলায় উদ্ধার গুলিবিদ্ধ মরদেহ দুটির পরিচয় মিলেছে। এরা হচ্ছেন, আজিজুল হক (৪৫) ও ফারুক হোসেন (৫০)। তারা সহোদর ভাই। দুজনেই শার্শা উপজেলার জামতলা সামটা এলাকার মৃত জেহের আলীর ছেলে। রবিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে মরদেহ দুটি শনাক্ত করেন তাদের অপর ভাই সাইদুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শার্শা উপজেলার ধানতারা এলাকার একটি মেহগনি বাগান থেকে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, দুদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে তিনি নিহত হতে পারেন। সকাল ৯টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

শার্শার বাগআঁচড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুর রহিম হাওলাদার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আজিজুল একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। নিহত আজিজুলের বিরুদ্ধে থানায় মাদক সংক্রান্ত ৭/৮টি মামলা রয়েছে।

তবে নিহতের ভাই সাইদুল জানান, তার ভাই আজিজুল মাটি বিক্রির ব্যবসা করতেন। অনেক আগে বোমায় তার দুটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

অপরদিকে, একই দিন সকালে জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি-চিংড়া সড়কের রামপুর এলাকা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘নিহতের গলায় একটা দাগ রয়েছে। এটি গুলির দাগ কি-না সেটা ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না।’

নিহতদের ভাই সাইদুল ইসলাম জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আজিজুল ও তার বড় ভাই ফারুক একসঙ্গে বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশে বের হন। রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় তারা খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে থানায় গিয়ে পুলিশকে জানান। আজ সকালে প্রথমে আজিজুলের এবং পরে ফারুকের লাশ পাওয়া যায়।