নিহতদের বাবা বাদল রায় একজন রিকশাচালক। তিনি নিজের জমিতে লোন নিয়ে টিন শেডের আধাপাকা বাড়ি নির্মাণ করছিলেন।
দৌলতপুর থানার এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, নির্মাণাধীন আধাপাকা বাড়ির বারান্দায় বসে দুই ভাই-বোন খেলা করছিল। এ অবস্থায় বারান্দায় মালামাল রাখার জন্য তৈরি করা সানশেড ভেঙে দুজনের গায়ের ওপর পড়ে। ঘটনাস্থলেই তারা মারা যায়। এ ঘটনায় নিহতদের চাচা আহত হন। তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহমেদ বলেন, নির্মাণাধীন আধাপাকা বাড়িটি টিনশেডের। রিকশাচালক লোন নিয়ে বাড়িটি করেছেন। সানশেড নির্মাণে প্রয়োজনীয় সামগ্রী যথাযথ ছিল না বলে আপাতত ধারণা করা হচ্ছে।