রবিবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। আগামী ৯ নভেম্বর খুলনার ডাকবাংলা সোনালী ব্যাংক চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর চরমোনাই পীরের জনসভা উপলক্ষে এ মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়।
কওমি মাদ্রাসা বোর্ডের স্বীকৃতির পর কওমি মাদ্রাসা পন্থীদের প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ আয়োজন পর্দার বরখেলাপ। এ আয়োজনের যৌক্তিকতা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। কারণ ভোট ডাকাতি, ব্যালট ও বাক্স ছিনতাই, জাল ভোট প্রদান, কেন্দ্র দখল, ত্রাস সৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। চলমান সংলাপে এ সব বিষয় আলোচনা হলেও সরকার এ মূল দাবিতে কোনও কথা বলছে না। জনসভা, সভা-সমাবেশ করার অনুমতি থাকবে বলে বলছে। কিন্তু নির্বাচনের আগে সব সরকারই সভা-সমাবেশের ক্ষেত্রে শিথিল থাকে। এ সরকারও তাই করছে। এ গুলো দাবি পূরণের আওতায় পড়ে না।’
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন নগর সাধারণ সম্পাদক মুফতি আমানুল্লাহ, সহ সভাপতি ও মিডিয়াসেল সমন্বয়কারী শেখ মো. নাসির উদ্দিন, ছাত্র আন্দোলনের নগর সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ, মুফতি তৈয়েবুর রহমান, জিএম কিবরিয়া, মো. সাইফুল ইসলাম, মাহমুদুল হক তানভির, এইচ এম জোবায়ের মাহমুদসহ অনেকে।