খালিশপুর এলাকার বাসিন্দা নুরুল আমিন বলেন, ‘আষাঢ়ের তীব্র তাপমাত্রায় অতিষ্ঠ নগরবাসী বৃষ্টির মধ্যে স্বস্তি খুঁজে পান। তবে স্বস্তির মাঝেও সৃষ্টি হয় জনদুর্ভোগ। বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে। এখনই জলাবদ্ধতা নিরসনে কেসিসি’র পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে সামনে আরও ভারী বর্ষণে আটকে পড়বে জীবনযাত্রা।’
বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘২২ খাল পুনরুদ্ধারসহ খনন চাই।’ গ্লোবাল খুলনার আহ্বায়ক শাহ মামুনুর রহমান তুহিন বলেন, ‘খুলনা শহর থেকে পানি নিরসনের প্রধান জায়গাগুলা পরিষ্কার করে দিলে জলাবদ্ধতা থাকবে না।’
সামাজিক সংগঠন দীপ্ত আলোর সভাপতি হাসানুর রহমান বলেন, ‘খালগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করতে হবে।’
খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘নগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণের বিষয়টি কেসিসি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে কাজ শুরু করেছে। ৮২৩ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাশাপাশি নগরীর ২২ খাল উদ্ধারে অভিযান চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নাগরিকেরা এ কাজের সুফল দেখতে পাবেন। আর পুরো সফলতার জন্য ২০২৩ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’