আরএমও জানান, ‘বুধবার (৩১ জুলাই) পর্যন্ত নড়াইল সদর হাসপাতালে তিন শিশুসহ আট জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে। এরমধ্যে দুই শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
সিভিল সার্জন ডা.আসাদুজ্জামান মুন্সি টনি বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে একটি মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত আছে। হাসপাতালে নিয়ন্ত্রণ কক্ষও খোলা হয়েছে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তরা হলো- সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের ননীক্ষীর গ্রামের গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের মেয়ে বিপাশা বিশ্বাস (৮), লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামের রাকিবুলের ছেলে মেহেদি হাসান (৮), নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে সাদ(১৩), কালিয়া উপজেলার চাচুড়ী ইউনিয়নের বনগ্রামের হাফিজুরের ছেলে শাকিল(২০), একই গ্রামের রেজাউলের ছেলে শাপলু মোল্যা (৩০), কালডাঙ্গা গ্রামের তৈয়েবুর রহমানের ছেলে রিয়াজ ফকির (৩০), মাগুরা জেলার মধুখালী গ্রামের কাইজার সিকদার (১৯) ও ঢাকা থেকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগে কর্মরত কর্মচারী কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ (৫৫)। এদেরমধ্যে শিশু বিপাশা বিশ্বাস ও মেহেদি হাসানের শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখা দেওয়ায় তাদেরকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।