বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমরা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েছিলাম। এ অভিযান মাঝে-মধ্যেই চলতে থাকবে। তবে, তিন হলে অভিযানে কিছুই পাওয়া যায়নি।’
রবিবার (২৫ আগস্ট) মধ্যরাতে এক কর্মীকে মারধরকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
সোমবার সকাল থেকেই বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করে ক্যাম্পাসে মাইকিং করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একইসঙ্গে সব শিক্ষার্থীকে পরিচয়পত্র বহন করতে বলা হয়। এ ঘোষণা শেষের দুই ঘণ্টা পরই তিন হলে তল্লাশি অভিযান চালায় প্রশাসন। অভিযানে কুষ্টিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজাদ রহমান উপস্থিত ছিলেন।