বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার বন্দরের হেলিপ্যাডে অবতরণ করে।
সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলী আসগার লবি ও খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বলেন, মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর দুটি কর্মসূচি রয়েছে। সেগুলো শেষ করে বাগেরহাট সদরে খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে প্রধানমন্ত্রী খুলনা যাবেন। জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন এবং ৯টা ১৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
মোংলা বন্দরে পৌঁছে তিনি ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ কর্তৃপক্ষ এবং চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যকার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এরপর ১০টা ৩০ মিনিটে মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন কার্যক্রমের ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
বন্দরের কর্মসূচি শেষে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে সড়কপথে হযরত খানজাহান আলী (র.)-এর মাজার শরীফের উদ্দেশে রওনা দেবেন। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে মাজার প্রাঙ্গণে পৌঁছে মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর তিনি খুলনার উদ্দেশে রওনা হবেন। খুলনা পৌঁছে বিকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়াপ্রতিভা অন্বেষণে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।