খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গার হাজী তমিজউদ্দিন সড়কের বাসিন্দা ফরিদউদ্দিন মানিক বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নে সদ্য সমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে বাসার কাজের লোক পান্না মিয়ার কাছে একটি খামে চিঠি দেন অজ্ঞাত ব্যক্তি। চিঠিতে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, এমএল (জনযুদ্ধ) প্যাডে কম্পিউটার কম্পোজে চরমপন্থী সংগঠনের পরিচয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরে মোবাইলে কল করে দাবিকৃত চাঁদার টাকা চাওয়া হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ও তার পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়, যা পুলিশকে জানানো হয়েছে। পরে আবার ফোন করলে তাদের বাসায় টাকা নিতে আসতে বলা হয়। গত ২২ এপ্রিল দুপুরে মোটরসাইকেলে (ঢাকা মেট্রো ল ১৯-৬৯৭৮) তিনজন বাসায় এসে তার কাছে চাঁদার টাকা চায়। এ সময় প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিনই সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলায় আটক তিনজনসহ অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়।
আরও পড়ুন:
আটককৃতরা হলেন বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের খেজুরবাড়ীয়া গ্রামের বেলাল হাওলাদার (৩৫), শরণখোলার রায়েন্দা গ্রামের আমিনুল ইসলাম (২৯) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের শোলাবাড়ীর ফরহাদ (৩০)।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, রায়েন্দা ইউনিয়নে সদ্য সমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কারণে ইর্ষান্বিত হয়ে কতিপয় দুষ্কৃতকারী তাকে হত্যা করতে এই চরমপন্থী ক্যাডারদের ২০ লাখ টাকায় ভাড়া করেছে বলে গ্রেফতারকৃতদের মোবাইল আলাপে জানতে পেরেছেন তিনি। তাই গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে ওই অর্থদাতা মূল চক্রান্তকারীদের মুখোশ উন্মোচন এবং তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পুলিশের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন তিনি।
/বিটি/এএইচ/